বিনোদ বিহারী মুখোপাধ্যায়

বিনোদ বিহারী মুখোপাধ্যায়

Apr 24, 2024

চোখের অপারেশন সাকসেস না হওয়ায় সম্পূর্ণ অন্ধ হয়ে যান ১৯৫৭ তে। পরবর্তী সময়ে শান্তিনিকেতনে ফিরে আসেন 'এমেরিটাস প্রফেসর’ হয়ে। কলাভবন চত্বরে পেন্টিং স্টুডিয়োর দেওয়ালে আজও রয়েছে তাঁর শেষ ভিত্তিচিত্র। বিশ্বভারতী তাঁকে তাদের সর্বোচ্চ সম্মান ‘দেশিকোত্তম’ ও ভারত সরকার ‘পদ্মবিভূষণ’ উপাধিতে ভূষিত করেছিল।

দৃষ্টিহীন জীবনে স্ত্রী ও কন্যা মৃণালিনী সর্বদা পাশে থেকেছেন। ছিলেন কলাভবনের শিক্ষক ও ছাত্ররা। ছবি আঁকা থামাননি। স্কেচ করেছেন অসংখ্য। নিয়মিত চিঠি লিখেছেন। রঙিন কাগজ কেটে তৈরি করেছেন অপূর্ব সব ছবি। রজনীগন্ধা, বেল, জুই, দোলনচাঁপা ফুল পছন্দ করতেন। স্পর্শ করতেন, টেবিলের উপর ছড়িয়ে দিতেন, তারপর স্পর্শ করে দেখতেন ফুলগুলির পাশের ফাঁকা অংশ নেগেটিভ স্পেস।


শিল্পকর্মে এই নেগেটিভ স্পেসের একটা বিরাট গুরুত্ব রয়েছে। এই নেগেটিভ স্পেসকে বিনোদ বিহারী তাঁর শিল্পকীর্তিতে বা জীবনে কোনও দিন ঠাঁই দেননি।

১৯ নভেম্বর ১৯৮০। দিল্লির একটি নার্সিংহোমে বিনোদ বিহারী মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যু হয়।