একদিনের গল্প (২ পর্ব)
সংযুক্তা বড়াল
কাজে কাজে সারাটা সময় বিনয়ের ভালোই কাটল। চিন্তা একটাই দুপুর রোদ মাথায় নিয়ে অফিস থেকে ফিরতে হবে। যদিও কদিন তো এভাবেই ফিরছে, অভ্যাস হয়ে গেছে। কিন্তু না আজ বিনয় একটু অসুবিধাতেই পড়ল। আজ যে

সত্যি সত্যিই বিকট গরম, বিনয় যেন নিতে পারছে না। চোখ মুখটা যথাসাধ্য রুমালে ঢাকার চেষ্টা করলো তবু মনে হচ্ছে যেন সব পুড়ে যাচ্ছে। সত্যি সত্যিই পুড়ছে। বিনয়ের হঠাৎ খেয়াল হল "আজ তো কোনো এসএমএস এলো না, রাজ্য জুড়ে এত সতর্কতা জারি তবু কই ও তো একবারও খোঁজ নিল না এই রোদে দুপুরে বাসে ট্রেনে ঠিক মতো বাড়ি পৌঁছাতে পারলাম কিনা। " বুকটা শিরশির করে উঠলো বিনয়ের। এভাবেই জট খোলে, জট পাকায় প্রতিটা সম্পর্ক। ব্যাস্ততার মাঝে মাথা ঘামানো হয় না, সব শেষে যখন তাকায়ি দেখি ফোঁপরা দাঁতে নিয়ে হাড়গোড় বেরিয়ে গেছে ততদিনে।বুকে হাত চেপে জোরে শ্বাস নিতে নিতে বাড়ি ফিরলো বিনয়। স্নান সেরে কয়েক খাবল ভাত নাকেমুখে গুজে ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করল।

আজ আর কিছু ভালো লাগছে না তার। কেমন যেন একটা হচ্ছে। ঝটপট করতে লাগলো সে। বিছানার ওপর বই খাতা ছড়ানো। তারই মাঝে রঙ তুলি। ক্যানভাসটা কাছে টেনে নিয়ে এলোপাথাড়ি রঙ চাপাতে লাগলো। উগড়ে দিল সব কষ্ট অভিমান। হঠাৎ কি যেন একটা প্রাণ পেয়ে গেল তার তুলির টানে। ওমনি শান্ত সবকিছু। এভাবেই ছবি প্রতিটা মনের শুশ্রূষা করে।
লেখা ও আঁকা সংযুক্তা বড়াল
এই গল্পের তৃতীয় পর্ব যে কেউ লিখে পাঠাতে পারেন ওপরের whatsapp লিঙ্ক টাচ করে