হিসাব বলছে ঠিকই আছে (২)

ছবি - শিল্পী শ্রী প্রকাশ কর্মকার।
বর্তমানে প্রচুর ছেলেমেয়ে ছবি আঁকছে। আজ থেকে প্রায় ১৭ বছর আগে শ্রদ্ধেয় শ্রীযুক্ত রামলাল ধর (প্রাক্তন শিক্ষক গভর্নমেন্ট কলেজ অফ আর্ট এন্ড ক্রাফট) একদিন ক্লাসে বলেছিলেন 'শিল্পী উঠে আসে কুড়ি বছরে দুজন কি একজন।' অর্থাৎ শিল্প জগতকে সমৃদ্ধ করে কুড়ি বছরে দুজন কি একজন। অথচ চারিদিকে হাজারো শিল্পীর দেখা

ছবি - শিল্পী শ্রী প্রকাশ কর্মকার
মেলে। এরা শিল্পকে সঙ্গ করেন। শিল্পকর্ম করে জীবিকা নির্বাহ করেন। কেউ কেউ চেষ্টা করেন নতুন কিছু করার, নতুন কিছু করে উঠতে পারেন না। কিন্তু এই নতুন কিছু করাকে শ্রদ্ধা করা প্রয়োজন। কারণ এই চেষ্টাই একদিন সফলতা এনে দিতে পারে। আবার বেশিরভাগই অন্যের শিল্পকলাকে নকল করেন বা কিছুটা পরিবর্তন করে নিজের বলে চালিয়ে দেন। যারা পূর্বের শিল্পীর কাজ দেখেনি তারা এই কাজকে তার কাজ বলেই মনে করেন। কলকাতার বহু প্রতিথযশা শিল্পীর কাজের সাথে হুবহু বিদেশী শিল্পীদের কাজ মিলে যায়। কলকাতার গ্যালারিগুলো সেই সব ছবিকেই

ওয়ার্ল্ড ফেমাস আর্টিস্ট শ্রী প্রকাশ কর্মকার। জন্ম-১৯৩৩ কলকাতা। পরলোকগমন-২০১৪। হুগলীর সিঙ্গুরে বসবাস করতেন।
স্বীকৃতি দেয় যে ছবি নিয়ে তারা ব্যবসা করতে পারবে। আমার দেখা একজন শিল্পী পাঁচটা গ্যালারির জন্য পাঁচ রকম ভাবে ভাবেন বা কাজ করেন। তাঁরা জানেন গ্যালারি কি ধরনের ছবি পছন্দ করে। ফলে এদের ছবি বিভিন্ন গ্যালারিতে সিলেক্ট হয়, বিক্রি হয়, অ্যাওয়ার্ড পায়, কিন্তু শিল্প জগতকে সমৃদ্ধ করতে পারে না। তবে পকেটে পয়সা হয়, আত্মতৃপ্তি নিয়ে বেঁচে থাকেন।
লেখা- সৌমেন দাশ