নববর্ষ ও আমরা
সৌমেন দাশ


আমরা বাঙালি
ছোটোবেলায় 'সব পেয়েছি' র আসর নববর্ষ কে উপলব্ধি করতে শিখিয়েছে। ১লা বৈশাখ সকালে প্রভাত ফেরি, বিকালের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বুঝতে পারতাম একটা নতুন বছর এলো। যদিও এই

মাটির কাজের কর্মশালা
তারিখ হিসাব কদিন পরে ভুলে যাবো, মানে বাংলার কত তারিখ ভাবতে হয়। কারণ বাংলা তারিখ ধরে কোনো কাজ হয় না বিশেষ করে স্কুল, কলেজ, আদালতে। কিন্তু এখনো সমস্ত শুভ কাজ

গান গল্প আড্ডা
বিবাহ, অন্নপ্রাশন, উপনয়ন ইত্যাদি বাংলা তিথি নক্ষত্র এবং তারিখ দেখেই হয়। কিন্তু কোথাও যেন একটা ফিকে হয়ে এসেছে নববর্ষের সেই আনন্দের মাত্রা। বছরের শুরুতে একটা নতুন জামা পড়ে

কর্মশালায় কর্মে ব্যাস্ত
মন্দির বা হালখাতা অনুষ্ঠানে যাওয়া ছাড়া আর কোথাও যাবার থাকে না । তবে বহু বছর পর ২০২৪ শে বাংলার ১৪৩১ এর ১ লা বৈশাখ আর সে আক্ষেপ রইলো না। বছরের শেষ দিন যেমন সারা রাত্রি আমরা উপভোগ করেছি মাটির কাজের

রাতের খাওয়া দাওয়ায় মাংসের ঝোল ভাত
কর্মশালার সাথে। পরদিন অর্থাৎ ১ লা বৈশাখ সকাল হতেই বেশ কয়েকজন বাঙালী পোশাখে প্রস্তুত হয়ে গেলাম মন্দিরে পুজো দিতে। ফিরে ক্লাস, তবে ক্লাসরুম নববর্ষে নতুন ফুলের গন্ধে ভরপুর। একটু সুর, একটু রং প্রসাদ ও নববর্ষের

ভোর চারটার সেলফি
মিষ্টান্ন সবকিছু মিলিয়ে নববর্ষটা কে উপভোগ করতে বিন্দুমাত্র খামতি দেয়নি। ক্লাসগুলো একটু অন্যরকম ভাবে সারাদিন সুন্দর কাটলো। সকলে উপস্থিত না হতে পারলেও অনেকেই নববর্ষটাকে


কলকাতায় নববর্ষ
একটু অন্যভাবে উপভোগ করতে পেরেছে। এসব না করে আমি কলকাতার শোভাযাত্রা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পারতাম। কিন্তু নিজের এলাকায় আমার ছোট্ট বন্ধুদের সাথে এই নববর্ষ উপভোগ আমার কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। সকলকে শুভ নববর্ষের আবারও শুভেচ্ছা।

তারকেশ্বর ও আমরা
আগামি বছর সব্বাই এগিয়ে এলে নববর্ষের সকালটা আরও সুন্দর করে উপভোগ করা যেতে পারে।